লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) আগামী বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) তামার গড় দাম হতে পারে টনপ্রতি ১০ হাজার ৭১০ ডলার। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকস। এর আগে টনপ্রতি গড় মূল্য ১০ হাজার ৪১৫ ডলারে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। খবর রয়টার্স ও হেলেনিক শিপিং নিউজ।
এক নোটে ব্যাংকটি জানিয়েছে, খনি থেকে তামার সরবরাহ কমেছে। তবে গ্রিড ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোগুলোয় বাড়ছে ধাতব পণ্যটির চাহিদা। এমন প্রেক্ষাপটে আগামী বছর আগে দেয়া প্রক্ষেপণের তুলনায় বাড়তে পারে তামার দাম।
ব্যাংকটি আরো জানায়, আগামী বছরের প্রথমার্ধে সম্ভাব্য শুল্কের আগে যুক্তরাষ্ট্রে তামার সরবরাহ বাড়বে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ আরো কমে আসতে পারে।
গোল্ডম্যান স্যাকসের নোট অনুযায়ী, ২০২৬ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে এলএমইতে অ্যালুমিনিয়ামের দাম টনপ্রতি ২ হাজার ৩৫০ ডলারে নেমে যেতে পারে। দাম কমে যাওয়ার পেছনে অন্যতম ভূমিকা রাখবে ইন্দোনেশিয়ায় ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন।
প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, বৈদ্যুতিক গাড়ি খাতে অ্যালুমিনিয়ামের তুলনায় ইস্পাতের চাহিদা বাড়ছে। এতে সামনের দিনগুলোয় ধাতব পণ্যটির দাম কমে আসতে পারে।
গোল্ডম্যান স্যাকসের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ অ্যালুমিনিয়াম, লিথিয়াম ও লোহার দাম কমতে পারে যথাক্রমে ১৮, ২৩ ও ১৭ শতাংশ।